অল্প বয়সে চুল পাকা সমাধানের ৭ টি সেরা পয়েন্ট

অল্প বয়সে চুল পাকার সমাধান, যদি বয়সের বার্ধক্যের আগেই চুল পেকে যায় তবে সেটি বিভিন্ন কারণে হয়ে থাকে। তার জন্য আমাদের কিছু কিছু নিয়ম ও পদক্ষেপ গুলো মেনে চলতে হবে। চুল পাকাও একটা প্রাকৃতিক নিয়ম তবে চুল পাকারও একটি নির্দিষ্ট সময় থাকে।

image

সূচিপত্র: অল্প বয়সে চুল পাকা সমাধানের ৭ টি সেরা পয়েন্ট

নিচের যে অংশ থেকে পড়তে চান ক্লিক করুন

অল্প বয়সে চুল পাকার কারণ

চুল পাকা বিষয়টি স্বাভাবিক। তবে সে চুল যদি অল্প বয়সে পেকে যায় তবে তা অস্বাভাবিক হয়ে দাঁড়ায়। এ চুল পেকে থাকে অনেক সময় বংশগত কারণেও। কারণ অল্প বয়সে কারো যদি চুল পেকে থাকে তবে এসে ধারা অনুযায়ী চুল পেকে থাকে। আবার কারো হরমন জনিত সমস্যা হয়ে থাকলে অল্প বয়সে চুল পেকে যায়।

এছাড়া মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা, কষ্ট ইত্যাদি কারণ ও অল্প বয়সে চুল পেকে থাকে। কারণ দুশ্চিন্তা করলে শরীরে রক্তে সেরেটনিহর হরমনের মাত্রা কমিয়ে দেয়। কারণ এই সেরাটনিন হরমোন তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে। আবার কোন ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে ওষুধ খেয়ে থাকে। ওষুধের প্রতিক্রিয়ার ফলে চুল পেকে যায়।

অল্প বয়সে চুল পাকার সমাধান গুলো জানার আগে চুল পাকার কারণ গুলো জেনে নেওয়া যাক। তাহলে চুল পাকার সমস্যার সমাধানে অনেক কাজে আসবে, আরো একটি ভিটামিন জনিত কারণে চুল পাকে।

ভিটামিন-জনিত কারণে চুল পাকা

অন্যতম একটি কারণ হলো ভিটামিন জনিত কারণ। এটা ভিটামিনের অভাব হয়ে থাকলে। ভিটামিন বি, ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি এগুলোর অভাব থাকলে অল্প বয়সে চুল পেকে যায়।

এমনকি ভিটামিন সি জাতীয় খাবার থাকলে ত্বক ও চুলের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পুষ্টির জগতে সাহায্য করে থাকে। পদার্থ ব্যবহার করার ফলেও অল্প বয়সে চুল পেকে যায়। এছাড়া বয়স অনুযায়ী শরীরের ওজন বেশি থাকলে চুল অল্প বয়সে পেকে যেতে পারে।

চুল ঘন হওয়ার বয়স সীমা

চুল ঘন হওয়ার একটা সময় থাকে। সময়ের মধ্যে চুল ঘন হয়ে থাকে। দুই থেকে চার বছরে সময়ের মধ্যে চুল বড় হওয়ার উত্তম সময়। এ সময়ে একটি শিশুর চুল অনেক ঘন হয়ে থাকে।

যে কোন মানুষের একটি চুলের গড় আয়ূ দুই থেকে আট বছর। শীতকালের চেয়ে গ্রীষ্মকালে চুল অনেক বড় হয়। এ সময় চুল অনেক বৃদ্ধি পায়। আর শীতকালে কম বড় হয়।

পুরুষের চুল ঘন করার উপায়

পুরুষের চুল ঘন করার কিছু টিপস রয়েছে যেগুলো মেনে চললে চুল ঘন করা সম্ভব। সেগুলোর মধ্যে আপনার ডায়েটে আয়রন, ওমেগা 3ফ্যাটি এসিড, ভিটামিন থাকা জরুরী।

এগুলো থাকলে চুলের পুষ্টি এবং চুলকে স্বাস্থ্য উজ্জ্বল রাখার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে থাকে। এসব পোস্টে কোন বিভিন্ন খাদ্য উপাদানে পাওয়া যেতে পারে। এছাড়াও খাবারে মিষ্টি তথা চিনির পরিমাণ কমাতে হবে। কারণ চিনি তাপ প্রদাহ বাড়ায় যা চুলের শক্তিকে প্রভাবিত করে থাকে।

অল্প বয়সে চুল পাকার সমাধান এবং প্রাকৃতিক উপায়ে চুল পাকা বন্ধের উপায়

image

প্রাকৃতিক উপায়ে চুল পাকা বন্ধ করতে হলে ডিমের কুসুম চিনা বাদাম সোয়াবিন এগুলাতে ভিটামিন থাকে যেগুলো চুল পাকা বন্ধ করতে সাহায্য করে। এটি অর্থাৎ ভিটামিন চুলের গোড়াকে মজবুত রাখে। এগুলা পাওয়া যায় উপরোক্ত উৎসগুলোতে।

এছাড়াও খাবারে নিয়মিত সবুজ শাকসবজি খেতে হবে। এছাড়াও সপ্তাহে দুবার মাথায় নারিকেল তেল ব্যবহার করতে হবে। এবং চলে কেমিক্যাল জাতীয় পণ্য পরিহার করতে হবে। তবে চুল পাকা বন্ধ হবে। অল্প বয়সে চুল পাকাটা এখন স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে গেছে। এখন খাবারের তালিকায় এখন মানুষ পুষ্টিকর ও প্রাকৃতিক খাবার কম খায়। এখন তারা ফাস্টফুডে আগ্রহী।

হয়তোবা আপনারা তথ্যগুলো পেয়ে সন্তুষ্ট নন। কিন্তু খাবার এবং যত্নের মাধ্যমে অনেকটাই সম্ভব চুল পাকার সমাধান করা।

চুলে শ্যাম্পু দেওয়ার নিয়ম

চুলের মধ্যে ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাস দাড়া জীবনুঘটিত রোগ দেখা দিতে পারে তাই। তাই বর্ষাকালে নিয়মিত চুলে শ্যাম্পু দেওয়া উচিত। এতে করে চুলের গুনাগুন মান ভালো থাকে। বিশেষ করে সময় ছেলেদের প্রতিদিন শ্যাম্পু করা উচিত।

আরো পড়ুন: চুলে মেথির ব্যবহার ৮ টি উপকারিতা প্রস্তুতকরণ ও উপাদান

চুলের ত্বক অনুযায়ী শ্যাম্পু নির্বাচন করতে হবে। যেমন চুল উঠলে ট্রেসমে হেয়ার ফল শ্যাম্পু ব্যবহার করা উচিত। আবার খুকসি হলে ডাভ ড্যানড্রপ ক্লিন শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হয়। এভাবে চুলের ধরন অনুযায়ী শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হয়। আশা করি আপনারা বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন।

উপসংহার বা শেষ কথা

চুল পাকা একটি স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু অল্প বয়সে চুল পাকা সেটা অস্বাভাবিক হয়ে দাঁড়ায়। শুধু বয়স বাড়লেই যে চুল পাকবে এটা কোন কথা নয়। অনেক সময় অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণে রাতারাতি চুল পেকে যায়।

সম্প্রীতি এক গবেষণায় পাওয়া যায় যে মানসিক চাপের কারণে চুলে পাকল ধরায় প্রাণ রাসায়নিক কারণ খুঁজে পেয়েছে। নিজের কিছু কিছু ভুলের কারণে অল্প বয়সে চুল পাকে যায়।

আবার চুল পেকে যাওয়ার আরো অন্যতম প্রধান কারণ হলো জীবন যাত্রার মান অগোছালো এবং খাদ্যাভাসেও অনিয়ম। এবং চুলে অতিরিক্ত পরিমাণে ধুলাবালি থাকা সত্বেও পরিষ্কার না করা। আশা করি অল্প বয়সে চুল পাকার সমাধান তথ্যগুলো কাজে লাগবে।

ধন্যবাদ-Thanks.

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
Comment মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আর আইটি ফার্মের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url