HSC এর পর বিদেশে পড়াশোনার প্রয়োজনীয় ১১ টি গাইডলাইন

HSC এর পর বিদেশে পড়াশোনা সহজ যদি আপনি সঠিক গাইডলাইন এবং সে অনুযায়ী নিজেকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে পারেন তাহলেই সম্ভব। এই আর্টিকেলটিতে HSC এর পর বিদেশে পড়াশোনার জন্য সকল প্রস্ততি দেওয়া হয়েছে। HSC এর পর বিদেশে পড়াশোনার জন্য আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য শুভকামনা রইল।

image

আপনি যদি ইন্টার লেভেলের ছাত্র অথবা ছাত্রী হয়ে থাকেন তাহলে HSC এর পর বিদেশে পড়াশোনার জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার এখনই সঠিক সময়।

সূচিপত্র: HSC এর পর বিদেশে পড়াশোনার 11+ প্রয়োজনীয় গাইডলাইন

(নিচের যে অংশ থেকে পড়তেছে ক্লিক করুন)

প্রস্তুতি জন্য আপনাকে শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট সহ বিভিন্ন কাগজপত্র, রেকমেন্ডেশন লেটার, ielts ইংরেজি দক্ষতা অর্জন, বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন, ফ্রি স্কলারশিপ, লেখাপড়ার পাশা-পাশি চাকরির সুযোগ এ সকল বিষয়ে আপনাকে স্বচ্ছ জ্ঞান রাখতে হবে।

আশা করি সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়লে HSC এর পর বিদেশে পড়াশোনার জন্য ফ্রি স্কলারশিপ সহ সকল প্রস্ততি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে সহজ হবে এবং ফ্রি স্কলারশিপ গাইডলাইন পেয়ে যাবেন।

HSC এর পর বিদেশে পড়াশোনার জন্য প্রস্ততি

প্রথমে আপনাকে তিনটি কাজ করতে হবে খুব খুব গুরুত্বপূর্ণ তিনটি বিষয় 

  1. আল্লাহর উপর ভরসা
  2. পরিশ্রম
  3. যে বিষয়ে যারা জানে তাদের কাছে থেকে সে বিষয়ে জ্ঞান অর্জন

আপনি যদি অন্য ধর্মের হয়ে থাকেন তাহলে আপনার ঈশ্বরের উপর বিশ্বাস এবং বাকি দুটি কাজ করতে হবে।

HSC এর পর বিদেশে পড়াশোনার জন্য সর্বোচ্চ রেজাল্ট করার জন্য সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। তাহলে ফ্রি স্কলারশিপ এবং বিদেশে পড়াশোনার সুযোগ পাওয়া সহজ হয়ে যাবে। এছাড়াও ৩.৫০ + নাম্বার থাকলেও বিদেশে পড়াশোনার জন্য বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করতে পারবেন।

আপনার সিদ্ধান্ত যদি ফাইনাল হয় আপনি HSC এর পর বিদেশে পড়াশোনা করবেন তাহলে পাসপোর্ট তৈরি করে নিন। পাসপোর্ট তৈরীর জন্য এই (অনলাইন পাসপোর্ট আবেদন ফরম পূরণ করার ৮ টি স্টেপ)  আর্টিকেল বা কনটেন্ট দেখে নিন।

প্রায় এক বছর আগে থেকে আপনাকে রিসার্চ শুরু করতে হবে, কি রিসার্চ শুরু করবেন? ১. দেশ, ২. সাবজেক্ট, ৩. বিশ্ববিদ্যালয় ৪. ফ্রি স্কলারশিপ, ৫. সুযোগ সুবিধা এবং বিভিন্ন ভাতা, ৬. কোন বিদ্যালয় কখন এডমিশন সার্কুলার দেয়। ৭, বিদেশে পড়াশোনার খরচ ইত্যাদি।

রিসার্চ করে আপনার পছন্দের দেশ এবং বিদ্যালয়ের তালিকা তৈরি করে রাখুন। মাঝে মাঝে তাদের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে বিভিন্ন নীতি নৈতিকতা আপডেট খোঁজ খবর ইত্যাদি সব তথ্য সম্পর্কে অবগত থাকুন। তবে মনে রাখবেন আবেদন করার সময় কখনোই একটি দেশ কিংবা একটি বিদ্যালয়কে টার্গেট করবেন না, সব সময় একাধিক বেশ এবং একাধিক বিদ্যালয়ে আবেদন করবেন।

বিদেশে পড়াশোনার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

আপনি যখন একটি বিদ্যালয় আবেদন করবেন তখন আপনাকে বিভিন্ন তথ্য সরবরাহ করবে এর মধ্যে তারা আপনাকে বলে দিবে কি কি কাগজ প্রয়োজন। এছাড়াও আপনি তাদের ওয়েব সাইটে প্রবেশ করে অগ্রিম দেখে নিতে পারেন বিদেশে পড়াশোনার জন্য প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র।

দেশ এবং বিদ্যালয় ভেদে কিছু আলাদা আলাদা কাগজপত্র প্রয়োজন হয়। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সিমিলার কাগজপত্র লাগে। তবে আপনাকে বেশ কয়েকটি পত্র খুব যত্ন সহকারে সাবমিট করতে হবে ১. রেকমেন্ডেশন লেটার ২. স্টেটমেন্ট অব পারপাস।

রেকমেন্ডেশন লেটার এবং স্টেটমেন্ট অব পারপাস

image

রেকমেন্ডেশন লেটার, আপনার পরিচিত ব্যক্তির কাছ থেকে নিতে হয়, এটার মান অনেক এবং বাইরের দেশের বিদ্যালয়গুলো রেকমেন্ডেশন লেটার খুব গুরুত্বের সাথে দেখে।

আপনার সম্পর্কে জানে, অথবা আপনাকে ভালো চিনে এমন কেউ যেমন: শিক্ষক, এমন ২ থেকে ৩ জন ব্যক্তির কাছ থেকে রিকোমেন্ডেশন প্রয়োজন হয়। তবে যার কাছ থেকে রিকোমেন্ডেশন লেটার লিখে নিচ্ছেন তাকে সময় দিয়ে সুন্দর করে লেটারটা লিখিয়ে নিবেন এবং সেই ব্যক্তি অবশ্যই যোগ্যতা সম্পন্ন হতে হবে। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

স্টেটমেন্ট অব পারপাস, আপনি যে দেশের যে বিশ্ববিদ্যালয় লেখাপড়া করার জন্য যাচ্ছেন সে সম্পর্কে সুন্দর একটি স্টেটমেন্ট অব পারপাস (SOP) লেটার লিখতে হয়। বাইরের দেশের বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে চান্স পাওয়ার জন্য (SOP) লেটার খুব গুরুত্বের সাথে দেখা হয়।

আপনি যখন স্টেটমেন্ট অব পারপাস লেটারটি লিখেছেন তখন ভালোভাবে সে দেশ, ও বিদ্যালয়ের সম্পর্কে জেনে নিবেন এবং সুন্দর করে স্বচ্ছ ধারণা দিয়ে সাজিয়ে গুছিয়ে যত্ন সহকারে লিখবেন। সেখানে কেন যাচ্ছেন, কিসের জন্য যাচ্ছেন, আপনার ফিউচার প্ল্যান কি? দেশে এসে কি করতে চান ইত্যাদি বিষয়ে সুন্দর করে (SOP) লেটার লিখুন।

আপনার স্টেটমেন্ট অব পারপাস লেটারটি পড়ার পর সেই বিদ্যালয়ের কর্মকর্তা আপনাকে নির্বাচন করতে আগ্রহ পোষণ করে এরকম আকর্ষণীয় সুন্দর করে আপনার তথ্যগুলো উপস্থাপন করবেন। আবারো বলছি অন্যান্য বিষয় এবং রেকমেন্ডেশন লেটার ও স্টেটমেন্ট অব পারপাস এ দুটি খুব গুরুত্বের সাথে যত্ন সহকারে সাবমিট করবেন।

HSC এর পর IELTS ইংরেজি দক্ষতা অর্জন

বেশ কয়েকটি দেশ আছে যেই দেশগুলো তাদের নিজের ভাষার উপর গুরুত্ব দেয় ইংরেজি ভাষার উপর তেমন গুরুত্ব দেয় না। যেমন: চীন, বাংলাদেশে অনেক ছাত্রছাত্রী বিদেশে পড়াশোনা জন্য চীনকে বেছে নেয় কারণ আপনার রেজাল্ট যদি মোটামুটি ভালো হয় এবং আপনি যদি চীন ভাষা জানেন তাহলে সেখানে ফ্রিতে পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে।

তবে বুদ্ধিমানের কাজ IELTS পরীক্ষা দিয়ে ভালো রেজাল্টের একটি সার্টিফিকেট অর্জন করা। সম্ভব হলে পাশাপাশি অন্যান্য দেশের ভাষাগুলোর উপর নজর দেওয়া। আপনার IELTS পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট থাকলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সহ অন্যান্য সকল কোর্স এবং HSC এর পর বিদেশে পড়াশোনার জন্য চান্স পাওয়া অনেক সহজ হবে।

IELTS হল ইন্টারন্যাশনাল ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ টেস্টিং সিস্টেম এটি IDP ও কেমব্রিজ ইংলিশ দ্বারা পরিচালনা করা হয়। বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় প্রতিষ্ঠান রয়েছে যে সকল প্রতিষ্ঠানগুলো IELTS পরীক্ষার জন্য সকল গাইড লাইন প্রদান করেন। আপনার উচিত তাদের সাথে সাক্ষাৎ করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা।

HSC এর পর বিদেশে পড়াশোনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন

বিদেশে পড়াশোনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন বেশ কিছু পদক্ষেপের মধ্যে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট আপনাদেরকে অত্যন্ত গুরুত্ব সাথে এই কাজটি সম্পন্ন করতে হবে। সেজন্য আপনাকে বিভিন্ন দেশ এবং বিদ্যালয়গুলো টার্গেট করতে হবে। এবং একটি একটি করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট গুলোতে প্রবেশ করে আপনার চাহিদা এবং তাদের নিয়ম নীতি সুযোগ সুবিধা প্রয়োজনীয় সকল বিষয়গুলো দেখতে হবে।

উপরে আলোচনায় একটি পয়েন্ট আপনাদেরকে রিসার্চের কথা বলেছিলাম সেখানে সাতটি পয়েন্ট উল্লেখ করা আছে। সেগুলো এবং আরো আপনার চাহিদা অনুযায়ী সকল তথ্য জেনে বুঝে বিদেশে পড়াশোনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন করুন। এবং বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচনের তালিকায় একাধিক বিদ্যালয় রাখুন।

অনেক সময় এমন হয় বিদেশে পড়াশোনার জন্য আপনি যে বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন করেছেন। এবং তারাও আপনাকে নির্বাচন করেছে, কিন্তু টাকা, কোর্স ফি, বিভিন্ন ভাতা, সুযোগ সুবিধার ইত্যাদি আপনার চাহিদার সাথে মিলছে না। কিংবা আপনি একটু বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন করেছি সেখানে আপনার হয়নি ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে, সেজন্য আগে থেকে সচেতন এবং প্রস্তুতি নিয়ে হবে।

HSC এর পর বিদেশে ফ্রি স্কলারশিপ

বিভিন্ন দেশ রয়েছে যে সকল দেশগুলো শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার রেজাল্ট এর উপর ভিত্তি করে ফ্রি স্কলারশিপ দিয়ে থাকে। এরকম নিউজ আমরা প্রায় প্রতিবছর শুনতে পাই। কিন্তু আপনার ক্ষুধার্ত অবস্থায় আপনাকেই খাবারের জন্য আগ্রহ পোষণ করতে হবে। আমি বোঝাতে চাচ্ছি আপনার যদি ইচ্ছে থাকে ফ্রি স্কলারশিপ নিয়ে বিদেশে পড়তে যাবেন তাহলে অবশ্যই সম্ভব। জাস্ট আপনাকে পরিশ্রম করতে হবে এবং ভরসা রাখতে হবে (পরিশ্রম এবং ভরসা বা আত্মবিশ্বাস খুবই গুরুত্বপূর্ণ)

ফ্রি স্কলারশিপের জন্য আপনাকে কমপক্ষে এক বছর আগে থেকে রিসার্চ শুরু করতে হবে। কিভাবে রেকমেন্ডেশন লেটার ও স্টেটমেন্ট অব পারপাস লিটার গুলো লিখবেন, কোন দেশ এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ফ্রি স্কলারশিপ প্রদান করে কখন কোন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভর্তির জন্য এডমিশন চালু করে, ফ্রি স্কলারশিপে কি কি সুযোগ-সুবিধা থাকছে ইত্যাদি বিষয়ে খোঁজখবর রাখতে হবে এবং মনোযোগ সহকারে ভালো রেজাল্টের আশা নিয়ে লেখাপড়া করতে হবে।

আপনি যদি পরিশ্রম করেন তাহলে সফলতা অবশ্যই আসবে সেজন্য আপনাকে কঠোর পরিশ্রমী এবং ধৈর্যশীল হতে হবে। অনেক সময় আমরা চাইলেও কিছু করতে পারিনা কারণ আমাদের নিজের কাছে নিজেরা হেরে যায়। নিজের উপর আত্মবিশ্বাস রাখুন পরিশ্রম করুন আপনি পারবেন।

বিদেশে লেখাপড়ার সুবিধা এবং অসুবিধা

বিদেশে লেখাপড়ার সুবিধা, যে সকল ছেলে মেয়েরা দেশের বাইরে পড়াশোনা করতে যাই সে সকল ছেলে মেয়েদের সফলতার সংখ্যা অনেক বেশি কারণ তারা পরিশ্রমী হয়, আধুনিক শিক্ষা অর্জন করে, বিভিন্ন পরিস্থিতি মেইনটেইন করার ক্ষমতা অর্জন করে, বিভিন্ন পরিবেশে এবং বিভিন্ন দেশের মানুষের সাথে চলাফেরার মাধ্যমে অন্যরকম একটা অ্যাক্টিভিটি তৈরি হয়। এরকম অনেক সুবিধা রয়েছে আপনারা নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন।

বিদেশে লেখাপড়ার অসুবিধা, প্রথমে যে সমস্যাটি আমাদের হয় নতুন পরিবেশ আমাদের চলাফেরা আচার-আচরণ কথাবার্তা কোন কিছুই তাদের সাথে মিলে না। এরপর খাবার নিয়ে সমস্যা হয়, নিজেকে অসহায় মনে হয় একা একা লাগে নিকটস্থ মানুষকে ছেড়ে ফাঁকা ফাঁকা অনুভূতি হয়। এছাড়াও আমাদের আরো একটি সমস্যা অতিরিক্ত আশা আকাঙ্ক্ষা যেটা অবশ্য ভালো না, এটা আপনাকে মেন্টেন করতে হবে।

লেখাপড়ার পাশা-পাশি চাকরি পাওয়ার উপায়

আপনি যখন দেশের বাইরে পাড়ি জমাচ্ছেন তখন আপনার মেইন টার্গেট ভুলে গেলে চলবে না, চলবে না, চলবে না। এটা অবশ্যই আপনার মাথায় রাখতে হবে আপনি লেখাপড়ার পাশা-পাশি চাকরি করার সুযোগ পাবেন অথবা নাও পেতে পারেন তবে না পাওয়ার সম্ভাবনা খুব কম।

অনেক সময় লেখাপড়ার পাশাপাশি চাকরি করার সুযোগ পাওয়া যায় কিন্তু অতিরিক্ত চাপের কারণে লেখাপড়া ব্যাহত হয় অনেক সময় দেশেও ফিরে আসা লাগতে পারে সেজন্য অবশ্যই আপনাকে চাকরি এবং লেখাপড়া দুটো মাথায় রাখতে হবে।

চাকরি পাওয়ার উপায়, এক জায়গাতে যখন আপনি থাকবেন তখন আস্তে আস্তে সেখানকার পরিবেশ পরিস্থিতি মানুষের সাথে বন্ধুত্ব তৈরি হবে। তখন আপনি চাকরি করার জন্য সুযোগ পেয়ে যাবেন তবে আপনার আকাঙ্ক্ষা কমিয়ে ধৈর্য ধরুন। আপনি সফল হলে আর কি লাগে তখন আপনি অনেক কিছু করার ক্ষমতা রাখবেন। যেটা হয়তোবা আপনি কল্পনাও করছেন না ধৈর্যের ফল অনেক মিষ্টি এবং পারিশ্রমীটা তেতো কিন্তু পরিশ্রমের ফল অকল্পনীয় আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য কত টাকা খরচ হতে পারে

বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য কত টাকা খরচ হতে পারে এটা নির্ভর করছে বেশ কয়েকটি বিষয়ের উপর

  • দেশ
  • ডিগ্রির ধরন
  • বিশ্ববিদ্যালয়
  • ফ্রী স্কলারশিপ
  • সম্পূর্ণ খরচে লেখাপড়া

সাধারণত এই পয়েন্টগুলোর জন্য নির্দিষ্টভাবে বলা যায় না বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য কত টাকা খরচ হতে পারে তবে ধারণা করা যেতে পারে সেজন্য আরো পড়ুন সেকশন থেকে নিচের আর্টিকেলটি দেখে নিতে পারেন।

আরো পড়ুন: পড়ালেখা কে আবিষ্কার করেছে পড়ালেখা নিয়ে ১ টি উক্তি

বিদেশে পড়াশোনার জন্য কি পরীক্ষা দিতে হয় এবং ডকুমেন্টগুলো কিভাবে পাঠাবেন

এতক্ষণের আলোচনা থেকে HSC এর পর বিদেশে পড়াশোনার জন্য আপনার করণীয় কি সে বিষয়ে অনেক কিছু জেনে গেছে আশা করি এখন আপনি রিসার্চ করে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনার জন্য আবেদন করতে পারবে।

তবে আপনাদের মাঝে কিছু স্টুডেন্টের আরেকটি প্রশ্ন বিদেশে পড়াশোনা কি পরীক্ষা দিতে হয়? আপনাকে IELTS পরীক্ষা দিতে হবে তাও সব দেশের জন্য প্রযোজনা যেমন: চীন, জাপান, কোরিয়া, এগুলোতে IELTS পরীক্ষার দেওয়ার প্রয়োজন হয় না, তাদের ভাষা শেখার প্রয়োজন হয়। হয়তো রাশিয়া ও তাইওয়ানে IELTS পরীক্ষার প্রয়োজন হয় না, এছাড়া অন্যান্য দেশগুলোতে IELTS পরীক্ষা দিয়ে আবেদন করতে পারবেন।

মজার ব্যাপার পোল্যান্ডে ৪০০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, শিক্ষার্থীদের জন্য মজার ব্যাপার এখানে ভর্তির জন্য এডমিশন পরীক্ষা দিতে হয় না। এই তথ্যটি পেয়ে অন্যান্য স্টুডেন্টদের মতো হয়তো আপনিও খুশি হয়েছেন।

ডকুমেন্টগুলো কিভাবে পাঠাবেন, বিদেশে পড়াশোনার জন্য সকল কার্যক্রম অনলাইনেই করা হয়। তবে যদি প্রয়োজন হয় কোন ডকুমেন্ট জমা দেওয়ার তাহলে কম্পিউটারের দোকান থেকে ডকুমেন্টগুলো প্রিন্ট করে কুরিয়ার এর মাধ্যমে খুব সহজেই পাঠিয়ে দেওয়া যায়। সেজন্য এক থেকে দেড় হাজার টাকা খরচ হতে পারে। কুরিয়ার সম্পর্কে আপনার ধারণা কম থাকলে অনলাইনে বিভিন্ন হেল্প পেয়ে যাবেন।

উপসংহার - শেষ কথা

এই আর্টিকেলটিতে HSC এর পর বিদেশে পড়াশোনার জন্য শিক্ষার্থীদের সকল প্রস্ততি গ্রহণ করার জন্য আমার থেকে যতটা সম্ভব তথ্য এবং গাইডলাইন উপস্থাপন করেছে আশা করি এই গাইডলাইন গুলো ফলো করলে আপনি আরও অনেক কিছু জানতে পারবেন। ঠিক যেমন এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যাই কিন্তু রাস্তার মাঝে আমরা অনেক কিছু দেখতে পাই।

আপনাদের জন্য শুভকামনা রইল আমার জন্য আপনারা দোয়া করবেন আল্লাহ যেন আমাদের সকলকে হায়াতে তাইয়েবা দান করেন। (আমিন)

ধন্যবাদ-Thanks

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
Comment মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আর আইটি ফার্মের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url